তিমির খঞ্জর বিঁধিলো যেদিন ভূ-নাভিতে
নড়ে উঠলো শূন্যের করকমল
পালিতের স্নেহে।

আল-আমীন পদে পদে এগুলেন হেরার আঁধারে
বুকে ল’য়ে সঙ্গোপনে একত্ব পিদিম
এক, দুই, তিন,,, -বহে অশান্ত নিরবতা
সূর্য-চন্দ্রে দারুন ছুটোছুটি
কা‘বার দু’চোখ অপেক্ষায় ছলছল
প্রকৃতির আনাচে-কানাচে ব্যাকূল কানাকানি
সহসা পিদিম শিখা ভেদী-

“ইক্‌রা বিস্‌মি রব্বিকাল্লাজী খালাক্ক· · ·”
-“পড়ুন, আপনার প্রভুর নামে
যিনি সৃজিলেন
সৃজিলেন মানব- জমাট রক্ত থেকে
পড়ুন, এবং আপনার প্রভূ দয়াময়
যিনি কলম দ্বারা শেখালেন জ্ঞান
শিখিয়েছেন সে জ্ঞান মানুষকে
যা সে জানতো না।”

টগবগিয়ে ফুটে উঠলো
পৃথিবীর হিমেল প্রবাহ
শিরা-উপশিরায় কম্পন জাগলো
বিশ্বাস এবং বাস্তবের জলোচ্ছাসে।
ঠাঁই পেলো না নিংড়ানো অন্ধকার
উদ্‌ভাসিত আলো ঠিকরে পড়লো
অন্ধ কুপের থোকা থোকা আঁধার
আর শীতল বিদঘুট হতেও,
চিৎকার শোনা যায়নি আর
মাটি চাপিত শিশু কন্যার।

লা’ত, মানাত আর উজ্জার কোমর ভাঙ্গে
সত্য নবীর ছড়ির আঘাতে পালায় ইবলীস।

এবং সংরক্ষিত থাকে ঝিনুকের দুই পাটাতন
মুক্তা-জ্যোতিতে আলোকিত র’বে কালিমা-কলুষহীন
আমাদের তরে চিরদিন।

২৮ ফেব্রুয়ারী ২০০১
রয়েল কমিশন, ইয়ানবো, সউদী আরব।

Share