যেখানে বিষন্ন বিকেল কাঁদে ফুঁপিয়ে
এক পাশে পড়ে থাকে অশ্রু ভেজা উড়না,
আমার শ্রাবণ সন্ধ্যা-নদী বহে নির্জনে
উজানে আনন্দ নেই আধুনিক কোলাহলে।

যেমন ভাটিয়ালী গান পপ মিউজিকের ভিড়ে
যেমন ঝুলছে পুরোনো কাঁথার অবশেষ; বাঁশের মাচায়,
শালদা নদীর ব্রীজে হুইসেল ফুঁকে ট্রেন চলে
জেগে থাকি প্রতিটি রাত কোন এক অজানা শব্দের মোহে।

দিন-রাতের বিবর্তনে এখন উল্টো চলে সময়রে গতি
রশ্মিটুকু উষ্ণতা দেয় এই বরফের দেশে, নৈঃশব্দে
যে উষ্ণতা দিয়ে দৃষ্টি ফোটায় আদেশী ঊষার সূর্য
রাতের ঘোমটা টেনে চাঁদ হাসে লজ্জায় আড়ালে।

বালিশের ওপাশে পিঁপড়া চলে, মহাশূন্যে মহাযান
চলে সময়ের কাঁটা মহাকাশে-জলে-স্থলে, অন্তরীক্ষে
শুধু এখানে এখন জীবনের কাঁটা স্থবির, চলমান স্থির
কি জানি, কে জানে কখন হয়ে যায় নিঃসীমে স্থানান্তর।

২৮.১১.২০০৬ – ০৪.০১.২০০৭
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।

Share